সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ সংগ্রহ

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর এই পোস্টে দেওয়া আছে। এই সৃজনশীল প্রশ্ন গুলো অনুশীলন করার মাধ্যমে বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন সম্পর্কে ধারনা লাভ করতে পারবেন। বাংলা সহ পাঠের একটি নাটক হচ্ছে সিরাজউদ্দৌলা। এই নাটকের অনেক গুলো  সৃজনশীল প্রশ্ন রয়েছে। এই পোস্টে আমি সেই সকল সৃজনশীল প্রশ্ন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন গুলো শেয়ার করেছি। নিচে প্রশ্নের উত্তর গুলো পিডিএফ ফাইলে সংগ্রহ করে দিয়েছি।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন

এখানে আমি সৃজনশীল প্রশ্ন গুলো দিয়েছি। আপনারা নিজে নিজে উত্তর করার চেষ্টা করবেন। এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্ন গুলো এখানে সংগ্রহ করে দেওয়া হয়েছে। তাই এই প্রশ্ন গুলো অনুশীলন করলে এইচ এস সি বোর্ড প্রশ্ন সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যাবেন। প্রশ্ন গুলো নিচে থেকে সংগ্রহ করেনিন।

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ঃ 

দাম্পত্য জীবনের কয়েক বছর অতিবাহিত হতেই আসমার স্বামী মারা যায়। আসমাকে আশ্রয় দেয় তার দেবরের ছেলে মজনু। মজনু আসমাকে নিজের মায়ের মতােই শ্রদ্ধা করে। আমার কোনাে চাহিদাই অপূর্ণ রাখে না মজনু। কিন্তু আসমা তাতে তুষ্ট নয়। সে চায় মজনুর সমস্ত সম্পত্তি আর ব্যবসায় দখল করতে। মজনুর শত্রুদের সাথে হাত মিলিয়ে আসমা মজনুকে হত্যা করে এবং তার সমস্ত সম্পত্তির কর্ণধার হয়ে ওঠে।

ক. সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
খ. ‘দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তুপে চাপা না পড়ে। ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের আসমার সঙ্গে ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে?— বিশ্লেষণ কর।
ঘ. একেই বলে ঘরের শত্রু বিভীষণ’- উক্তিটির যথার্থতা উদ্দীপক ও নাটকের আলােকে বিচার কর।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ঃ 

আমরা যে আশা করে আছি, কখন যে মহা-সেনাপতি আসবে যার ইঙ্গিতে আমাদের মতাে শতকোটি সৈনিক বহ্নি-মুখ পতঙ্গের মতাে ছত্ৰতলে গিয়ে হাজির হাজির’ বলে হাজির হবে। হে আমার অজানা প্রলয়ংকর মহা-সেনানী, তােমায় আমি দেখি নাই, কিন্তু তােমার আদেশ আমি শুনেছি, আমি শুনেছি। আমায় যুদ্ধ ঘােষণার যে তূর্য-বাদনের ভার দিয়েছ, সে ভার আমি মাথা পেতে নিয়েছি। এ যে তােমার হুকুম ।

ক. যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা- উক্তি কার?
খ. “প্রতারণার চেষ্টা করবেন না”- কথাটি কে, কেন বলেছেন?
গ. উদ্দীপকের বক্তব্যে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের যে বিশেষ দিকটিকে আলােকপাত করেছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত মহা-সেনাপতির গুণসমূহ সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সিরাজের মাঝে থাকলেও নবাব। সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার”- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই কর ।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

এখানে উপরোক্ত সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর গুলো দেওয়া আছে। যারা যারা নিজে নিজে সৃজনশীল গুলো উত্তর লিখতে পারেননি, তারা নিচে থেকে উত্তর দেখেনিন। অথবা প্রশ্নের উত্তর গুলো সংগ্রহ করে রাখুন।

উত্তর ১ঃ

কঃ সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম ইরিচ।

খঃ  ‘দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্কুপে চাপা না পড়ে।’- দেশের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের আদর্শ কেউ যেন ভুলে না।

যায়, তা যেন টিকে থাকে এই দিক বিবেচনা করে নবাব সিরাজউদ্দৌলা এই কথাটি বলেছেন। ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে শত্রুর ভয়ে যখন সবাই পালিয়ে যাচ্ছিল তখন নবাব সিরাজউদ্দৌলা তাদেরকে অভয় দেন। তিনি বলেন পলাশির প্রান্তরে পরাজয়ের পর আমরা যদি প্রাণভয়ে কাপুরুষের মতাে পালিয়ে যাই তবে যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন।

তাদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হবে। শত্রুরা আমাদের মাটিতে ঘাঁটি গড়ে তুলবে। ফলে দেশপ্রেমিকের প্রাণ নরপশুদের পায়ের তলায় ভূলুণ্ঠিত হবে। এই বিষয়টি নবাব সিরাজউদ্দৌলা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি। তাঁর মনে হয়েছে শত্রুর অত্যাচারে এদেশ। তখন আবর্জনার স্তুপে পরিণত হবে। তিনি শহিদ দেশপ্রেমিকদের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেন।

গঃ উদ্দীপকের আসমার সঙ্গে ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ঘসেটি বেগম চরিত্রের মিল আছে।

স্বার্থান্ধ মানুষ নিজেদের স্বার্থে দেশ ও দেশের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে। এর ফলে জাতিকে চরম মূল্য দিতে হয়, পরাধীনতার গ্লানি নিয়ে বাঁচতে হয়। বিশ্বাসঘাতক লােভীরা তাদের স্বার্থের জন্য সবকিছু করতে পারে। তাদের কাছে রক্তের সম্পর্ক, আত্মীয়-পরিজন অপেক্ষা অর্থ ও ক্ষমতার লােভ বড় হয়ে ওঠে।

উদ্দীপকে আত্মস্বার্থে আত্মীয়-পরিজনের সম্পর্ককে তুচ্ছজ্ঞান করে বিশ্বাসঘাতকতা করার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আসমা তার দেবরের ছেলে মজনুর আশ্রয়ে জীবনযাপন করে। তার কোনাে চাহিদাই মজনু অপূর্ণ রাখেনি। অথচ আসমা সম্পত্তি লাভের আশায় মজনুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এবং তাকে হত্যা করে।

“সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সিরাজের খালা ঘসেটি বেগমের মাঝেও অনুরূপ মনােভাব পরিলক্ষিত হয়। আলিবর্দি খার ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁর মৃত্যুর পর ছােট মেয়ে আমিনা বেগমের পুত্র সিরাজউদ্দৌলা নবাব হিসেবে অধিষ্ঠিত হন। ঘসেটি বেগম এটি সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি।

তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে সিংহাসনচ্যুত করতে গােপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। শেষ পর্যন্ত তিনি তার ষড়যন্ত্রে সফল হন। নবাব সিরাজ উদ্দৌলা পলাশির যুদ্ধে পরাজিত ও বন্দি হন। মিরজাফর সিংহাসনে বসার পর নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এদিক থেকে উদ্দীপকের আসমার সঙ্গে নাটকের ঘসেটি বেগমের মিল রয়েছে।

ঘঃ  একেই বলে ঘরের শত্রু বিভীষণ’- উক্তিটি যথার্থ। ক্ষমতা ও সম্পদের লােভ মানুষকে অন্ধ করে দেয়।

লােভী ব্যক্তিরা নিজেদের স্বার্থে বিশ্বাসের অমর্যাদা করে। এমনকি আত্মীয় ও রক্তের সম্পর্কও ভুলে যায়। আপনজনের বিশ্বাসঘাতকতায় মানুষের জীবনে চরম বিপর্যয় নেমে আসে। তারা সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে।স্বদেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মানুষের প্রিয় স্বাধীনতা হারিয়ে যায়। ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে অল্প বয়সে সিরাজউদ্দৌলার মসনদে বসা, প্রাসাদ ষড়যন্ত্র, নিকট আত্মীয়দের ক্ষমতার লােভে নবাবের বিরােধিতা ইত্যাদি বিষয় প্রকাশ পেয়েছে।

সিরাজউদ্দৌলার খালা ঘসেটি বেগমের ক্ষমতার লােভ ও বিশ্বাসঘাতকতার দিকটি এখানে প্রতিফলিত হয়েছে। নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সে তার বােনের ছেলে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে গােপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নবাবকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে।

উদ্দীপকের আসমাও দেবরের ছেলে মজনুর উপকারের কথা ভুলে। গিয়ে তার শত্রুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে তাকে হত্যা করে সম্পত্তি দখল করেছে । উদ্দীপকের মজনুর সম্পদের প্রতি লােভ ও স্বার্থপরতার দিকটি ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ঘসেটি বেগমের ক্ষমতার লােভ ও স্বার্থপরতার সঙ্গে একসূত্রে গাথা। তারা উভয়েই অমানবিক আচরণ করেছে।

আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে তারা বিশ্বাসঘাতক শত্রুর মতাে ব্যবহার করেছে। তাদের আচরণ প্রচলিত কথা- ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’-এর মতােই। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

উত্তর ২ঃ

কঃ যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা— এই উক্তিটি ক্যাপ্টেন ক্লেটনের।

খঃ  প্রতারণার চেষ্টা করবেন না’- কথাটি সেনাপতি মােহনলাল মিরজাফরের পুত্র মিরনকে সাবধান হওয়ার জন্য বলেছেন।

‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মােহনলাল এক দেশপ্রেমিক সৈনিক। মিরনের বাসগৃহে গােপনে ষড়যন্ত্র চলছে— গুপ্তচর মারফত এই খবর পেয়ে মােহনলাল মিরনের বাসগৃহে উপস্থিত হন। মিরনের কাছে তাদের ষড়যন্ত্র বিষয়ে জানতে চাইলে মিরন তা অস্বীকার করে এবং নানা ছুতােয় তা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তার এই ছলচাতুরী মােহনলাল বুঝতে পারেন। তখন মিরনকে সাবধান হওয়ার জন্য তিনি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন ।

গঃ

উদ্দীপকের বক্তব্যে সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে দেশপ্রেমিক সৈনিকদের অবদানের বিশেষ দিকটিকে আলােকপাত করেছে। দেশের দুর্দিনে যােগ্য নেতার ওপর নির্ভর করেই জাতি সামনে এগিয়ে চলে। জনগণ নেতার আদেশ-নির্দেশ মেনে চলে এবং নেতার আহ্বানে। তারা জীবন দিতেও প্রস্তুত থাকেন। তারা নিজেদের জীবনের পরােয়া করেন না।

যােগ্য নেতার নেতৃত্বেই দেশ এগিয়ে যায়। উদ্দীপকে মহা-সেনাপতির আদেশে সৈনিকদের সাড়া দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। যার ইঙ্গিতের অপেক্ষায় রয়েছে সবাই। যার ইশারা পেলেই জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়বে সবাই। উদ্দীপকে সেই মহা-সেনাপতির হুকুমের অপেক্ষায় থাকার কথা বলা হয়েছে।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মিরজাফর, উমিচাঁদ, জগৎশেঠ, রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, ঘসেটি বেগম নবাবের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেও মােহনলাল, মিরমর্দান, সফ্রে, নারান সিং প্রমুখ নবাবের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারা নিজেদের জীবন দিয়ে হলেও শত্রুর হাত থেকে স্বদেশ ও নবাব সিরাজকে রক্ষা করতে চেয়েছেন। তারা দেশ, দেশের মানুষ ও নবাবকে ভালােবেসে তার আজ্ঞা যথাযথভাবে পালন করেছেন।

এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মােহনলাল, মিরমর্দান, সাফ্রে, রাইসুল জুহালা প্রমুখের যে অবদান রয়েছে সেই বিশেষ দিকটিকে আলােকপাত করেছে।

ঘঃ

“উদ্দীপকে উল্লিখিত মহা-সেনাপতির গুণসমূহ ‘সিরাজদ্দৌলা নাটকের সিরাজের মাঝে থাকলেও নবাব সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার”- মন্তব্যটি যথার্থ।

বিশ্বাস অত্যন্ত মূল্যবান একটি বস্তু। কেউ একবার অবিশ্বাসী হয়ে গেলে তাকে আর পুনরায় বিশ্বাস করা যায় না। অবিশ্বাসী মানুষ সর্বত্রই নিন্দিত। অন্যদিকে বিশ্বাসী মানুষ সবসময় সর্বত্রই প্রশংসিত। উদ্দীপকে মহা-সেনাপতির আদেশের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

শত-কোটি সেনা তাঁর আদেশের অপেক্ষা করছে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য। কারণ তারা মহা-সেনাপতিকে মান্য করে চলে এবং দেশকে ভালােবাসে। সিরাজদ্দৌলা নাটকে পলাশির প্রান্তরে হাজারাে সেনা নবাব | সিরাজউদ্দৌলার আদেশের অপেক্ষায় থাকে। তখনও সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার।

প্রধান সেনাপতি মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় পলাশির প্রান্তরে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা হেরে গেছেন, যারা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে ইতিহাসের বুকে তারা ঘৃণিত হয়ে আছে। নবাবের হাজারাে বিশ্বস্ত সৈনিক সেই যুদ্ধে অংশ নিলেও কিছু ষড়যন্ত্রকারীর কারণে তারা সেই যুদ্ধে পরাজিত হয়েছেন।উদ্দীপকে মহা-সেনাপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্বের পরিচয় ফুটে উঠেছে। সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজউদ্দৌলার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব প্রকাশ পেলেও তা ফলপ্রসূ হতে পারেনি। কারণ তিনি আত্মীয়-পরিজন ও প্রধান সেনাপতি দ্বারা নির্মম ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত মহা-সেনাপতির গুণসমূহ ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সিরাজের মাঝে থাকলেও নবাব সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার। এদিক থেকে মন্তব্যটি যথার্থ।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের mcq

এখানে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সিরাজউদ্দৌলা নাটকের mcq প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আছে। এই প্রশ্ন গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। নিচে থেকে mcq প্রশ্ন উত্তর গুলো পড়ে নিন।

১. ট্রাজেডি নাটক কোন রসে আচ্ছাদিত থাকে?
চ. করুণ
খ. বীর
গ. মধুর রস
ঘ. শৃঙ্খার রস

উত্তরঃ ক

২. কোন ধরনের নাটক কেন্দ্রীয় চরিত্র সর্বদাই সামান্ত শ্রেণির প্রতিনিধি হয়ে ওঠে?
ক. ট্রাজেডি নাটকে
খ. কমেডি নাটকে
জ. ইতিহাসভিত্তিক নাটকে
ঘ. কমেডিতে

উত্তরঃ ক

৩. প্রথম সার্থক বাংলা নাটক কোনটি?
ক. অভিজ্ঞান শকুন্তলা
ছ. শর্মিষ্ঠা
গ. কুলীনকুলসর্বস্ব
ঘ. রক্ষাবলী

উত্তরঃ খ

৪. নাটকের যথার্থ পরিবেশনা স্থল কোনটি?
ক. টেলিভিশন
খ. রেডিও
জ. মঞ্চ
ঘ. প্রান্তর

উত্তরঃ গ

৫. দুর্বল ট্রাজেডি নাটক সাধারণত কীসে পরিণত হয়?
ক. কমেডিতে
খ. প্রহসনে
জ. মেলোড্রামায়
ঘ ট্রাজিক কমেডিতে

উত্তরঃ গ

৬. শ্রেণীকরণের মধ্যে কোন ধরনের নাটক সর্বোচ্চ আসনের অধিকারী?
চ. ট্রাজেডি
খ. কমেডি
গ. মেলোড্রামা
ঘ. প্রহসন

উত্তরঃ ক

৭. বাংলা নাটকের সর্বপ্রথম অভিনয় হয় কবে?
চ. ১৭৯৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর
খ. ১৭৯৫ সালের ২৮ নভেম্বর
গ. ১৭৯৫ সালের ২৯ নভেম্বর
ঘ. ১৭৯৫ সালের ৩০ নভেম্বর

উত্তরঃ ক

৮. সাহিত্যের কোন মাধ্যমটির নাটকের সাথে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে?
ক. কবিতার
ছ. উপন্যাসের
গ. প্রবন্ধের
ঘ. ছোটগল্পের

উত্তরঃ খ

৯. ব্যক্তি ও সমাজের নানা দোষ-ত্র“টিকে ব্যঙ্গ ও বিদ্রুপমূলকভাবে কোন ধরনের নাটকে প্রকাশ করা হয়ে থাকে?
ক. ট্রাজেডি
খ. মেলোড্রামা
গ. কমেডি
ঝ. প্রহসন

উত্তরঃ ঘ

শেষ কথা

 আশা করছি এই পোস্ট থেকে সিরাজউদ্দৌলা নাটকেরসৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ সংগ্রহ করতে পেরেছেন। এই রকম আরও ভালো ভালো পোস্ট পেতে আমাদের সাথেই থাকবেন। নিচে আপনাদের জন্য শিক্ষামূলক কিছু পোস্ট দেওয়া আছে দেখেনিতে পারেন। ভালোথাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আমাদের সাথে শেষ পর্যন্ত থাকার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আরও দেখুনঃ

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *