অনলাইনে আয় করার উপায় ২০২২ – ঘরে বসে ইনকাম

অনলাইনে ইনকাম করা কি আদৌ সম্ভব ? ,অনলাইন থেকে কি কেউ ইনকাম করেছে ?উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ ভাই,অনেকেই ইনকাম করেছে এবং ইনকাম করা সম্ভব।আপনি কি জানেন কিভাবে অনলাইন থেকে আয় করা যায় ?এবং কিভাবে এই কাজগুলো করতে হয় ,হয়তো জানেন না, আপনি নিশ্চয়ই এসব কিছু জানার জন্যই অনলাইনে সার্চ করেছেন যে কিভাবে অনলাইনে আয় করা সম্ভব,হ্যাঁ ভাই ,সত্যি বলছি অনলাইনে আয় করা সম্ভব। অনেকেই গুগলে অনলাইনে আয় করার উপায় সম্পর্কে জানতে চায়। তাহলে চলুন কিভাবে অনলাইন থেকে আয় করা যায় তা জেনে নেই …

তবে আপনাকে প্রথমে একটি কথা বলে নিই, আপনার যদি ধৈর্য শক্তি না থাকে তাহলে আপনি এই অনলাইনে আয় করার আশা থেকে দূরে থাকুন ,

আপনি যতটা সহজ মনে করতেছেন যে অনলাইনে আয় করা হয়তো খুবই সহজ,ভাই আমি বলছি, বাস্তবে ততটা সহজ নয় ,অনলাইনে আয় করতে গেলে আপনাকে অনেক কষ্ট করতে হবে, অনেক কিছু জানতে হবে।মোটকথা আপনাকে অনেক ধৈর্য ধরতে হবে এবং কাজকে ভালবাসতে হবে এবং সেই কাজের পিছনে লেগে থাকতে হবে, 

তবে আপনাকে আর একটি কথা মনে রাখতে হবে যে মানুষ চাইলে সব করতে পারে, আপনি যদি কোন বিষয়ে এক্সপার্ট নাও থাকেন বা কোন বিষয়ে দক্ষতা আপনার না থাকে, তাহলেও আশা হারাবেন না,শুধু আপনার ইচ্ছাশক্তি এবং লেগে থাকার এই প্রবাদটি মনে করতে হবে, যে আপনি অবশ্যই পারবেন…. 

তাই ঘরে বসে থেকে ইনকাম করার সহজ কিছু উৎস নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি, আর আজকের এই পোস্টটি তাদের জন্য যারা অনলাইন থেকে খুব সহজে ইনকাম করতে চান ।এবং নিচে এমন কিছু পদ্ধতি বলে  দেওয়া হবে যার সাহায্যে আপনি ঘরে বসেই থেকেই অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন ।এবং তা কিভাবে আয় করা যায় তার সহজ কিছু উৎস নিয়ে আলোচনা করা হল…

আপনি যদি সত্যিই মন থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে স্বাগতম, কারণ এখানে 100% ইনকাম করা সম্ভব, শুধু এখানে একটু ধৈর্য ধরে থাকতে হবে আর কিছু না …

কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করা যায় 

আপনি যদি সত্যিই অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে একটি উৎস খুঁজে বের করতে হবে, কেননা এই অনলাইন মার্কেটিং কাজ করার মতো অনেক উৎস রয়েছে ,এই অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে গেলে আপনাকে যেকোন একটি বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে এবং ধৈর্য সহকারে কাজ শিখতে হবে..কারণ প্রথম অবস্থায় এ কাজগুলো কেউ পারেনা ,আপনাকে সময় দিয়ে এই কাজগুলো শিখে নিতে হবে।

আপনি যদি চান আপনি অনলাইনে থেকে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন তবে আপনাকে একাজগুলো খুব মনোযোগ সহকারে করতে হবে ।আর অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই এই গুণ গুলো থাকতে হবে …যেমন

  • ধৈর্য
  • কঠিন কাজ
  • ধারাবাহিকতা 
  • এবং ইচ্ছাশক্তি 

উপরের এই গুনগুলো যদি আপনার মধ্যে বিদ্যমান থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই অবশ্যই অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন, আর এই কাজগুলো ঘরে বসে করার সবথেকে ভালো একটি ইনকামের উৎস ,আপনি যদি কঠোর পরিশ্রম এর সাথে কাজ  করেন তাহলে আপনি ঘরে বসে থেকেই অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন ,

অনলাইন ইনকাম 

বর্তমানে অনেক লোক রয়েছেন যাদের হাতের কাছে মোবাইল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ ইত্যাদি রয়েছে, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তারা অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম  করতে  চাইলেও ইনকাম করতে পারছে না,

আর বর্তমান যুগ অনলাইনের যুগ, এ অনলাইন যুগে অনেকেই ঘরে বসে থেকে অনেক টাকা ইনকাম করতে চান, বিশেষ করে যারা স্টুডেন্ট তারা খুব বেশি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে আগ্রহী,

যারা স্টুডেন্ট রয়েছে তাদের হাত খরচের জন্য তারা অনলাইনে থেকে টাকা ইনকাম করতে চান, কিন্তু তারা  অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারে না,কারণ তারা এই অনলাইন কাজ শেখার জন্য সঠিক গাইডলাইন পেয়ে থাকেন না ,অনেক স্টুডেন্ট আছেন যে কিভাবে ইনকাম করতে হয় তাও জানেন না, এবং কি কি বিষয় নিয়ে কাজ করবেন সেটাও তারা নির্ধারণ করতে পারেন না, তাই আজকে আমি নিচে সেসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব ,যেসব বিষয় গুলো দেখে আপনারা অনলাইন থেকে খুব সহজে ইনকাম করতে পারবেন। 

ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম 

ফ্রিল্যান্সিং মানে নিজের ইচ্ছানুযায়ী, নিজের দক্ষতা দিয়ে অন্যের কাজ করে দেওয়া।অর্থাৎ আপনি ঘরে বসে আপনার  ক্লায়েন্টের কাজ যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় করে দিতে পারেন ।

আর অনলাইনে সকল বিষয় নিয়ে কাজ করাটা অসম্ভব।, আপনি অনলাইনে যে বিষয় নিয়েও কাজ করেন না কেন সেই বিষয়কে ফ্রিল্যান্সিং বলে অভিহিত করা হবে .,ফ্রিল্যান্সিং মানেই মুক্ত স্বাধীন একটি পেশা , আপনি যখন ইচ্ছা কাজ করতে পারবেন, সেখানে থাকবে না কোনো বসের ঝাড়ি কোন নির্ধারিত সময়, …

আর এজন্য অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং করতে চান।চাকরি করতে চান না। তবে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার  হতে হবে ।

অনলাইন মার্কেটপ্লেসে অনেক রকমের উৎস আছে যেখান থেকে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন, আপনি চাইলে সবগুলো উৎস থেকে  টাকা ইনকাম করতে পারবেন না,আপনাকে  যে কোন একটি বিষয়ের উপর দক্ষ হতে হবে, মানে আপনাকে কাজ   শিখতে হবে যেকোনো একটি বিষয়ের উপর ।

আপনি যদি আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সার, আপওয়ার্ক, গুরু, টপটাল ইত্যাদি মার্কেটপ্লেসে রয়েছে ।সেখানে আপনি ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে আপনার প্রোফাইল প্রস্তুত করে রেখে দিতে পারেন ।আশা করবো আপনি এই মার্কেটপ্লেসগুলোতে অনেক ধৈর্য নিয়ে থাকলে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।এই অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে তারা ইনকাম করতে পারে যারা দক্ষ  ফ্রিল্যান্সার এবং যাদের অত্যাধিক ধৈর্য রয়েছে  ।

অনলাইন  আয়ের শীর্ষ কয়েকটি  উৎস

অনলাইনে আয় করার মত অনেক উৎস রয়েছে ,সেগুলোর মধ্য থেকে যে কোন একটি ফলো করলে আপনি ঘরে বসেই ইনকাম করতে পারবেন, আপনাকে আর একবার বলে  নিই, যে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই ধৈর্য ধরতে হবে।অনলাইনে ইনকাম করার  অনেকগুলো উৎস নিয়ে নিচে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করা হলো ,

  • ব্লগ সাইট থেকে অনলাইন আয় 

আপনি যদি ব্লগ সাইট থেকে টাকা  ইনকাম করতে চান তাহলে আপনি ভালো একটি ডিসিশন নিয়েছেন কারণ এ ব্লগ সাইট থেকে বর্তমানে  অনেকেই অনেক টাকা ইনকাম করতেছেন। এবং এটি বলতে গেলে অনলাইন আয়ের এর উৎস গুলোর মধ্যে একটি সেরা উৎস ।আপনার যদি লেখালেখি করার অভ্যাস থাকে এবং লেখালেখি নিয়ে দক্ষতা থাকে তাহলে ব্লগিং সাইট থেকে ইনকাম করা আপনার জন্য খুব সহজ হবে এবং আপনি ঘরে বসেই ইনকাম করতে পারবেন ।হতে পারে এই ব্লগিং সাইট টিই হচ্ছে আপনার অনলাইর আয়ের  উৎস  এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার।

কিভাবে ব্লগিং থেকে ইনকাম করবেন?

আপনাদের সত্যিই ব্লগিং থেকে ইনকাম করার ইচ্ছা থাকে তাহলে সবার আগে আপনাকে একটি হোস্টিং প্ল্যান এবং ডোমেইন নাম ক্রয় করে একটি ব্লগিং সাইট তৈরী করে নিতে হবে। ডোমেইন এবং হোষ্টিং ক্রয় করার মাঝে বাজেটের একটি ব্যাপার আছে, আপনি চাইলে বেশি বাজেট দিয়ে ভালো একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং ক্রয় করতে পারেন ,এবং ভালো  একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং নিয়ে ভালো একটি ব্লগিং সাইট তৈরী করে নিতে পারেন,তবে  বেশি বাজেটের ডোমেইন এবং হোস্টিং এর মাঝে একটি ব্লগ সাইটে অনেক উপকার পাওয়া যায় ।

ডোমেইন এবং হোস্টিং ক্রয় করার পর আপনাকে লেখালেখি শুরু করে দিতে হবে এবং সেই ব্লগসাইটে আপনাকে নিয়মিত করে অনেকগুলো পোস্ট  পাবলিশ  করতে হবে ,কারণ আপনার ব্লগিং সাইটে এডসেন্স আবেদন করতে হবে।যদি অনেকগুলো পোস্ট আপনার ব্লগ সাইটে পাবলিশ করা না  থাকে, তাহলে আপনি এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে পারবেন না ।আর আপনার এই ব্লগ সাইটে এডসেন্স অনুমোদন পেয়ে গেলেই আপনি আপনার ব্লগ সাইট থেকে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।তবে আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে আপনি যদি  আপনার ব্লগ সাইটে এডসেন্স এড করতে চান তাহলে আপনার লেখা হতে  হবে অনেক কোয়ালিটি পূর্ণ,এবং খুব ভালো মানের । 

  • ইউটিউব থেকে ইনকাম 

ইউটিউব  শব্দটি কম বেশি সবার কাছেই বেশ পরিচিত ,বাংলাদেশের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মানুষ এই ইউটিউব থেকে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতেছেন ,তবে এই ইউটিউব থেকে ইনকাম করাটা অত সহজ নয় যতটা সহজ মনে করতেছেন, এখান থেকে ইনকাম করতে হলে আপনাকে  অনেক কষ্ট করতে হবে,কেননা একটি ভিডিও তৈরি করা অনেক কঠিন ।ভিডিও তৈরি করতে অনেক কিছুর প্রয়োজন হয় যেমন  একটি ক্যামেরা ও  কম্পিউটার। শুধু তাই নয় ভিডিও তৈরি করার পর ভিডিও এডিটিং করতে হয়, আর ভিডিও এডিটিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ভিডিও এডিটিং জানতে হবে শিখতে হবে ।

কিভাবে ইউটিউব থেকে ইনকাম করবেন?

প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এটি ব্যবহার করতেছেন ,অনেকে আছেন ব্যবহার করেন কিন্তু ইউটিউব থেকে কোন টাকা ইনকাম করতে পারেন না ,আপনার যদি একটি স্মার্টফোন বা একটি কম্পিউটার থাকে বা ল্যাপটপ থাকে আপনি সহজেই প্রতি মাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন ,অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা হয় ইউটিউব একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম।

এই  ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করতে হলে আপনাকে প্রথমে  একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে, এবং আপনাকে ভাল মানের ভিডিও এডিটিং করতে হবে, এবং প্রতিদিন সেই ইউটিউব চ্যানেলে ভালো মানের ভিডিও আপলোড করতে হবে ।

একসময় দেখবেন আপনার প্রতিটা ভিডিও তে অনেক ভিউ আসছে,ঠিক তখনই আপনি মনিটাইজেশন অন করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।আর এই মনিটাইজেশন অন করার পরে আপনার ভিডিওতে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখাবে,আর এই বিজ্ঞাপনে ভিউয়ার ক্লিক করলেই আপনি টাকা পাবেন ।

এই ইউটিউবে টাকা ইনকাম করতে গেলে আপনাকে ভিডিও তৈরি করতে হবে খুব ভালো মানের এবং ভালো এডিটিং করে।আপনি যতটা ভালো ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন এবং ভালো ভালো ভিডিও আপলোড করতে পারবেন আপনি ততটাই বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।

তো সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে, সবার আগে আপনাকে ভেবে নিতে হবে যে আপনি কি নিয়ে ইউটিউব এ ভিডিও আপলোড করবেন ।আমি বলব যে আপনি একটু সময় নিন তারপর খুব ভেবেচিন্তে বলুন যে আপনি কোন বিষয়ে খুব  দক্ষ ।আপনি যে বিষয়ে খুব দক্ষ আপনি কি সেই বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরি করবেন এবং ইউটিউবে আপলোড করবেন ।আশা করা যায় আপনি যদি খুব ভালো মানের ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন, তাহলে প্রতি মাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।

  • ফেইসবুক থেকে ইনকাম

অনলাইনে ইনকাম করার  উৎসগুলোর মাঝে বহুল জনপ্রিয়  উৎস হচ্ছে ফেসবুক ।ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা গুনে শেষ করা যাবে না, ছোট বড় বৃদ্ধ সবাই ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন, তাই এই ফেসবুক থেকে  টাকা ইনকাম করার ভালো একটি মাধ্যম ।আপনি যদি এই ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে প্রথমত আপনাকে তিন চার মাস সময় দিয়ে যেকোনো বিষয়ের উপর একটি কাজ শিখে নিতে হবে ।

তারপর আপনি সেখান থেকে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন, আপনি যদি চান এই ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়  টি কে আপনি আপনার পেশা হিসেবে নিতে পারবেন ,কেননা আপনি একবার টাকা এখান থেকে ইনকাম করা শুরু করলে আপনাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে না, আপনি  শুধু নিয়মিত কাজ করবেন আর এখান থেকে টাকা ইনকাম করবেন ।

কিভাবে ফেসবুক থেকে ইনকাম করবেন?

মূলত ফেসবুক থেকে আয় করা যায় ভিডিও আপলোড করে ,ফেসবুক পেইজ বিক্রি করে ,ফেসবুক গ্রুপ থেকে ,ফেসবুকের মাধ্যমে এফিলিয়েট  করে, কিভাবে আয় করবেন নিচে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো ..

যেমন ভিডিও আপলোড করেঃ ভিডিও আপলোড করেও প্রতিমাসে ফেসবুক থেকে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়, যদি সত্যি ফেসবুক থেকে ভিডিও পোস্ট করে ইনকাম করতে চান তাহলে আপনার হাজার হাজার  ফলোয়ার  থাকতে হবে ।আর এই ভিডিও থেকে ইনকাম হয়   অ্যাডব্রেকস এর মাধ্যমে,অর্থাৎ আপনার ভিডিও চলাকালীন সময় ভিডিওর মাঝখানে হুট করে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন চলে আসা, এই বিজ্ঞাপনের  দ্বারাই  ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করা যায়।

ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করার তিনটি ফিচার রয়েছে সে ফিচারটি হচ্ছে In Stream Ads, Instant article, Brands Collabs Manager  ।

আপনি যদি এই ফেসবুক ভিডিওতে বিজ্ঞাপনে এড করতে চান তাহলে আপনাকে কিছু শর্ত মানতে হবে ।

শর্তগুলি হচ্ছে

  1. আপনার ফেসবুকে অনেক ফলোয়ার থাকতে হবে।
  2.  তিন মিনিটের ভিডিওতে 30,000 মিনিট বি উঠাতে হবে এবং শেষ দুই মাসে 1,80,000 মিনিটও থাকতে হবে ।
  3. 15,000 হাজার মানুষের কাছে আপনার ভিডিওগুলি পৌঁছাতে হবে ও 300 জন মানুষ সে ভিডিও দেখতে হবে 
ফেসবুক পেইজ বিক্রি করে ইনকাম

বর্তমানে অনেকের অনেক ফেসবুক পেজ রয়েছে,এবং সেই ফেসবুক পেজ থেকে প্রতি মাসে অনেক টাকা ইনকাম করতেছেন।যেমন ফেসবুক পেইজ অনেক জনপ্রিয় করে এবং তারপর সেই ফেসবুক পেজটি বিক্রি করে এভাবেই অনেক লোক ফেসবুক থেকে আয় করে থাকেন ।পাশাপাশি ফেসবুক গ্রুপ থেকে টাকা ইনকাম করা যায়, বর্তমানে এমন কিছু লোক রয়েছে যারা এই ফেসবুক গ্রুপ থেকেও প্রতি মাসে লাখ টাকা ইনকাম করে থাকেঙ্কা

  • গ্রাফিক ডিজাইন করে ইনকাম

গ্রাফিক ডিজাইন করে বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতেছেন,আপনি চাইলেও এই গ্রাফিক ডিজাইন করে প্রতি মাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।তবে আপনাকে অনেকটা সময় দিয়ে এই গ্রাফিক ডিজাইন করা শিখতে হবে।তাহলেই আপনি প্রতি মাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।গ্রাফিক ডিজাইনের মার্কেটপ্লেস এ রকম যেমন আপনি অনেকগুলো ডিজাইন করে রেখে দিবেন আর আপনার সেই  ডিজাইন গুলো বিক্রি হবে, আপনি যত ভালো ডিজাইন করতে পারবেন আপনি তত বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন

কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন করে ইনকাম করবেী?

গ্রাফিক ডিজাইন এর মধ্যে অনেকগুলো ডিজাইন  রয়েছে ,আপনি চাইলে যেকোন বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারেন, অর্থাৎ আপনি যে বিষয় নিয়ে দক্ষ আপনি সে বিষয় নিয়ে ডিজাইন করবেন।গ্রাফিক ডিজাইন বলতে যেসব কাজগুলো করা হয় সেগুলো হচ্ছে

  • লোগো ডিজাইন করা 
  • পোস্টার ডিজাইন
  • ব্যানার ডিজাইন
  • ফটো এডিটিং
  • কভার ডিজাইন

আরো অন্যান্য ডিজাইন, আপনি চাইলে উপরের যে কোন একটি বিষয় নিয়ে ডিজাইন করে আপনি অনলাইন থেকে অনেক টাকা ইনকাম করে ,গ্রাফিক ডিজাইন এর চাহিদা বর্তমানে অনেক। তাই আপনি যদি এই বিষয় নিয়ে কাজ করে থাকেন আর কাজ করার ইচ্ছে হয় তাহলে আপনি ভালো একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কারণ এখান থেকে অনেক টাকা ইনকাম করা সম্ভব, 

গ্রাফিক ডিজাইন কাজ করা যায়  অনেকগুলো মার্কেটপ্লেসে, আপনি যে মার্কেটপ্লেসের ভালো কাজ করতে পারবেন এবং যেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন সেই মার্কেটপ্লেস গুলো নিচে দেয়া হল 

  • ফ্রিল্যান্সার
  • ফাইবার
  • টপটাল 
  • আপওয়ার্ক
  • 929 ডিজাইন
  • গুরু
  • পিপুল পারওয়ার 

উপরের দেওয়া সাইটগুলোর ছাড়াও আরো অনেক সাইট রয়েছে, এখানে আপনি খুব সহজেই আপনার কাস্টমার পেয়ে যাবেন।তবে উপরের দেওয়া থাক গুলো থেকে ইনকাম করতে চাইলে আপনাকে অনেক ধৈর্য ধরতে হবে এবং কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, কেননা উপরে দেওয়া সাইটগুলোতে  কাস্টমার পাওয়া অতটা সহজ নয় ।সেজন্য আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে করতে হবে ।এবং দক্ষ গ্রাফিক ডিজানার হতে হবে ।

  • ওয়েব ডিজাইন করে ইনকাম 

ওয়েব ডিজাইন এটির  চাহিদা অনেক, কারণ হচ্ছে,  বর্তমানে কোটি কোটি ওয়েবসাইট রয়েছে ,আর এই ওয়েবসাইটগুলোতে ডিজাইন একমাত্র ওয়েব ডিজাইনাররা  করে থাকে, যত নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে  ওয়েব ডিজাইনারের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। এই বর্তমান অনলাইন যুগে প্রতিদিন হাজার হাজার ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে, এই ওয়েবসাইট গুলো তাদের ব্যক্তিগত কাজে ও ব্যবসার জন্য তৈরি করতেছে ,আর এই ওয়েবসাইটগুলোতে  ডিজাইন করা খুবই প্রয়োজন হয়, এ থেকে বুঝা যায় যে ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা অনেক।

 আপনি যদি ভাল একজন ওয়েব ডিজাইনার হন তাহলে আপনি প্রতি মাসে লাখ টাকার  উপরে ইনকাম করতে পারবেন ।আপনি যে এই ওয়েবসাইটে রয়েছেন, এই ওয়েবসাইটটিও একজন ডিজাইনার ডিজাইন করেছেন। আর একজন ওয়েব ডিজাইনার কাজ হচ্ছে ওয়েব সাইট গুলো  ডিজাইন করা ।

  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম 

ঘরে বসে থেকে ইনকাম করার আর একটি জনপ্রিয় উৎস হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটি। ঘরে বসে থাকবেন আর অন্যের প্রোডাক্ট বা পণ্য  বিক্রি করবেন আর সেখান থেকে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করবেন ,অর্থাৎ অন্যের  প্রোডাক্ট আপনি বিক্রি করে দিবেন এবং সেখানে থেকে   আপনাকে সেই প্রোডাক্টের  পার্সেন্টেজ পাবেন।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ,অন্য কোনো ব্যক্তির প্রোডাক্ট যেমন ধরুন একটি জুতো, আপনি যদি অনলাইনের  কোন মাধ্যমে সেই প্রডাক্ট বা জুতোটি  বিক্রি করে দিতে পারেন তাহলে সেই জুতোর একটা পারসেন্ট আপনাকে দিবে, আর  এভাবেই আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করতে পারবেন ।এভাবে যত বেশি প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন আপনার তত বেশি টাকা ইনকাম হবে

এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কিছু জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখান থেকে খুব সহজেই আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন

  • Amazon Associates
  • Shopify Affiliate Program
  • Click- Bank 
  • eBay Partners
  • ShareAsale 
  • CJ Affiliate
  • AvanGate (2Checkout)
  • Awin 
  • Rakuten Affiliate Network
  • LinkConnector
  • RevenueWire

কেন করবেন অ্যাফিলিয়েটস মার্কেটিং?

প্রথম সুবিধা হচ্ছে  এটি ঘরে বসে কাজ করা যায়, এবং এটি একটি আধুনিক একটি পেশা ।এ পেশার নানা রকম বৈশিষ্ট্য রয়েছে ,আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে আপনি করতে পারবেন, এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনি চাইলে আপনার পেশা হিসেবে নিতে পারেন ,কেননা এটি চাহিদা বর্তমান যুগে অনেক অনেক বেশি ।মূলত এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে কেনাবেচা,আর এই বর্তমান সময়ে কেনাবেচার চাহিদা অত্যাধিক  বেশি ।আপনি যে পণ্য বিক্রি করবেন সে পণ্য আপনার ওয়েবসাইটে দিতে পারবেন এবং অ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইটের সাথে একাধিক কাজ করা সম্ভব এবং একাধিক ভাবে আয় করা সম্ভব ,যদি আপনি একজন দক্ষ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে থাকেন ।

  • ডিজিটাল মার্কেটিং করে ইনকাম 

বর্তমান যুগ আধুনিক যুগ, দিন যত যাচ্ছে যুগ ততটাই ডিজিটাল হচ্ছে।আর মানুষ ততটাই অনলাইনে উপর ভরসা করছে এবং এ অনলাইন  ব্যবহারকারী সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীর প্রায় 90 পারসেন্ট মানুষ অনলাইনে সাথে সম্পর্কযুক্ত ,তার প্রতিনিধি অনলাইন ব্যবহার করে যাচ্ছে ,এবং এই অনলাইনের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করতেছেন। অনলাইনে আয় করার সহজ একটি উপায় এবং জনপ্রিয় উৎস হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং । অনলাইনে  পণ্য কেনাবেচা করা,  পণ্য প্রচার করা..অর্থাৎ ডিজিটালভাবে যে পণ্য বিক্রি করা হয় বা প্রচার করা হয় সেটাকেই ডিজিটাল মার্কেটিং বলে ।

ডিজিটাল মার্কেটিং অনলাইন হওয়ার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং, ওয়েব মার্কেটিং  ইত্যাদি কাজ খুব সহজেই পাওয়া যায় উপরোক্ত মার্কেটিং গুলোর দ্বারা ।আপনি চাইলে ডিজিটাল মার্কেটিং করে উপরোক্ত সাইট গুলো দ্বারা খুব সহজে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।কারণ বর্তমান সময়ে মানুষ এখন অনলাইন মুখী। এখনকার মানুষ এই অনলাইনেই  সমস্ত কিছু করে থাকে, যেমন কেনাবেচা করা, মার্কেটিং করা, কোন কিছুর প্রচার প্রসার করা ইত্যাদি আর এই সব কিছু করার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং করা ।

এই ডিজিটাল মার্কেটিং আওতায় আরেকটি টাকা ইনকাম করার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন প্রচার করা ।আপনি চাইলে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ,ইউটিউব ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে আপনার বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারেন, অথবা অন্যকোন ক্লায়েন্টের বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারেন্।আর  বিজ্ঞাপন করার মাধ্যমেই আপনি আপনার পণ্য যেমন বিক্রি করতে পারবেন পাশাপাশি অন্য কোনো ব্যক্তির পণ্য বিক্রি করে দিয়ে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন উৎস 

এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে বিভিন্ন কাজে রয়েছে আপনি তাহলে নিচের যেকোন একটি উৎস নিয়ে কাজ করতে পারেন।সে উৎস গুলি হলো

  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং 
  • ইয়াহু মার্কেটিং
  •  গুগোল মারকেটিং 
  • এসএমএস মার্কেটিং 
  • ইমেইল মার্কেটিং 
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন 
  • মোবাইল মার্কেটিং 
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং 
  • লিড জেনারেশন 
  • সিপিএ মার্কেটিং 

উপরের যে কোন একটি মার্কেটিং নিয়ে আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন,তবে আপনাকে একজন দক্ষ মার্কেটার হতে হবে ।উপরে দেওয়া সকল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করা যায় খুব সহজে, সেজন্য আপনাকে এই মার্কেটিং নিয়ে কাজ শিখতে হবে, উপরে দাও মার্কেটিং গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কেটিং হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, গুগোল মার্কেটিং, ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এবং ইমেইল মার্কেটিং ।

  • কনটেন্ট রাইটিং করে ইনকাম 

কনটেন্ট রাইটিংয়ের চাহিদা বর্তমানে অনেক, তবে ধারণা করা হচ্ছে যে সামনেই এ কনটেন্ট রাইটার এর চাহিদা অনেক অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে।কারণ আপনি ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে কনটেন্ট রাইটিংয়ের  গুরুত্ব অপরিসীম ।আপনি যে এই পোস্টটি পরতেছেন এটিও একটি কনটেন্ট রাইটার এর লেখা ।কনটেন্ট রাইটারের আবার বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগ ,আপনি খেয়াল করলে দেখতে পাবেন যে সকল বিষয়ে একটি কনটেন্ট ,কন্টাক্ট রয়েছে কয়েক প্রকার যেমন অডিও কনটেন্ট ভিডিও কনটেন্ট, এবং ফটোকেও একটি কনটেন্ট হিসেবে ধরা হচ্ছে ,

অডিও কনটেন্ট,ভিডিও কনটেন্ট, ইত্যাদি কনটেন্ট এর মাধ্যমে আপনি চাইলে প্রতিমাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন ,তবে আপনাকে এই কনটেন্ট রাইটার এর বিশেষ গুন থাকতে হবে ।

যেমন ধরুন আপনার যদি লেখালেখি করার কোন  ইচ্ছা না থাকে,তাহলে আপনি কখনোই একজন কনটেন্ট রাইটার হতে পারবেন না, আর শুধু কনটেন্ট রাইটার হলেই নয়, ভালো একজন কনটেন্ট রাইটার হতে হবে  যেন আপনি সৃজনশীলতার সাথে লেখালেখি করতে পারেন ।

আপনি যদি চান আপনার কনটেন্ট রাইটিং কে আপনার পেশা হিসেবে নিতে পারেন। আপনাকে তো আগেই বলেছি যে বর্তমানের চেয়ে ভবিষ্যতে এ কনটেন্ট রাইটিং এর  চাহিদা অত্যাধিক ভাবে বৃদ্ধি পাবে ।কারণ লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে, অনলাইন জগতে যা কিছু রয়েছে সবই বলতে গেলে এটি একটি কনটেন্ট। কোন একটি ওয়েবসাইট খোলা হলে খোলা হলে সেখানে একজন কনটেন্ট রাইটার প্রয়োজন হয়, আবার কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করতে গেলে সেখানে একটি স্ক্রিপ্ট এর প্রয়োজন হয়, যেটা একজন কনটেন্ট রাইটার এর কাজ ।আবার যদি ভিডিও মেকিং করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে প্রথমেই ভিডিও স্ক্রিপ্ট লিখতে হবে এবং এই লেখাটা একজন কনটেন্ট রাউটারের কাজ ।তো আপনি সহজে বুঝতে পারতেন যে একজন কনটেন্ট রাইটার এর কতটা চাহিদা, আপনার যদি সৃজনশীল লেখালেখি করার অভ্যাস থাকে বা  লেখালেখি করতে খুব বেশি পছন্দ করেন তাহলে আমি বলবো আপনি একজন কনটেন্ট রাইটার হয়ে উঠুন এবং মাসে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করুন । 

আর এই কনটেন্ট রাইটার হতে লাগেনা কোন বয়স লাগে না কোনো যোগ্যতা, শুধু আপনার সৃজনশীল দক্ষতা থাকলেই হবে ,আর একটু ধৈর্য্য ।আপনি যদি ধৈর্য সহকারে সৃজনশীলতার সাথে খুব ভালো লেখা লিখতে পারেন তাহলে আপনার গুরুত্ব অত্যধিক ভাবে বৃদ্ধি পাবে।

অনেক ব্যক্তি আছেন যারা চাকরি করতে একদমই পছন্দ করেন না ,এজন্য আপনি একজন কনটেন্ট রাইটার হয়ে উঠতে পারেন, বিভিন্ন অপশন রয়েছে কনটেন্ট রাইটার হয়ে ওঠার ,আপনি যেকোন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন, এই লেখাগুলো আপনি চাইলে আপনার নিজস্ব একটি ওয়েবসাইটে পাবলিশ করতে পারেন, অথবা কোন কোম্পানিতে একজন কনটেন্ট রাইটার হতে পারেন অথবা ভিডিও মেকিং করার স্ক্রিপ্ট লিখে একজন কনটেন্ট রাইটার হয়ে উঠতে পারেন, আমি বলব কনটেন্ট রাইটারের  কোন শেষ নেই। আপনি যদি ভালো মানের লেখালেখি করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি এ কনটেন্ট রাইটিং করে ইনকাম করতে পারবেন ।

আপনি হয়তো জেনে গেছেন যে কনটেন্ট রাইটার এর কোনো শেষ নেই ।আপনি যেকোন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন, সেটা নির্ভর করবে আপনার সৃজনশীলতার  উপরে, যে আপনি কোন বিষয় নিয়ে লিখলে অবশ্যই ভালো একটি লেখা লিখতে পারবেন ।আপনি ভালো করে ভেবে দেখুন কোন উৎস নিয়ে আপনি ভাল লিখতে পারবেন, তারপর ভালো মানের একজন কনটেন্ট রাইটার হয়ে উঠুন। আশাকরি  এখান থেকে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।

শেষ কথা

অনলাইনে আয় করার উপায় নিয়ে লিখিত আজকে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের এই আর্টিকেলের ধারা আপনি যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে নিচে কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন, উপরের  দেওয়া আর্টিকেলে খুব সহজ করে বোঝানো হয়েছে যে অনলাইনে কিভাবে ইনকাম করা যায় এবং ইনকাম করতে কি কি করতে হবে ।আর কোন বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে কাজ করলে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন সে বিষয়টিও উপরে খুব সুন্দর করে উল্লেখ করা হয়েছে ।এরপরেও যদি  কোন বিষয় সম্পর্ক নিয়ে জানার থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন । আল্লাহ হাফেজ ।

আরও দেখুনঃ

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার সেরা উপায় ২০২২

2 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *