খুব সহজে স্থায়ী ভাবে মোটা হওয়ার সহজ উপায় কি? ১০টি কার্যকরী টিপস জানুন

সুস্বাস্থ্য এই সকল সুখের মূল। অনেকেই রোগা পাতলা শরীর নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। এর জন্য কিভাবে মোটা হওয়া যায় এ সম্পর্কে বিভিন্ন উপায় খুঁজে বেড়ায়। আজকে আপনাদের মাঝে কিভাবে খুব সহজে স্থায়ীভাবে মোটা হতে পারেন সে সম্পর্কে আলোচনা করব। আপনারা যারা খুব সহজে মোটা হওয়ার উপায় খুঁজছেন তাদের জন্য আজকের পোস্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্থায়ীভাবে মোটা হতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই কিছু নিয়ম নীতি বা খাদ্য তালিকা মেনে চলতে হবে। তাই আজকের পোষ্টে আমরা আপনাদের জন্য মোটা হওয়ার কিছু কার্যকারী উপায় এবং একটি পূর্ণাঙ্গ খাদ্যতালিকা শেয়ার করব।  আশা করি আপনি সম্পূর্ণ পোস্ট করবেন তাহলে আপনিও খুব সহজে প্রাকৃতিক ভাবে মোটা হতে পারবেন। 

সুচিপত্র

মোটা হওয়ার সহজ উপায় কি

মোটা হওয়ার বেশ কিছু উপায় রয়েছে আপনি ওষুধের মাধ্যমে এবং প্রাকৃতিক উপায়ে স্থায়ীভাবে মোটা হতে পারবেন। আপনারা যারা মোটা হওয়ার সহজ উপায় সম্পর্কে জানতে চাই, তাদের জন্য আজকের এই টিপ্স মোটা হওয়ার সহজ উপায় ও মোটা হওয়ার খাদ্য তালিকা । সত্যি কি আপনি মোটা হতে চান? তাহলে জেনে নিন।

এখানে দেওয়া মোটা হবার সহজ উপায় গুলো একবার পালন করে দেখুন। আশা করি একটু হলেও উপকার পাবেন। তবে মোটা হবেনই, এমনটা নিশ্চিত করে বলা মুশকিল। তো চলুন শুরু করি।

মোটা হওয়ার জন্য খাদ্য তালিকা

মোটা হতে হলে বা ওজন বাড়াতে হলে কিছু জিনিস মেনে চলতে হয়। খাদ্য তালিকা তার মধ্যে অন্যতম ও সবচেয়ে কার্যকরী। খাদ্য মানুষকে মোটা অথবা রোগা করে তুলতে পারে।

খাদ্যাভ্যাসের উপর আপনার মোটা ও চিকন হওয়া অনেকাংশে নির্ভর করে। আপনার খাদ্য তালিকায় ক্যালোরি বেশি থাকলে আপনি দ্রুত মোটা হবেন, আর কম থাকলে চিকন হবেন।

তাছাড়া খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর খাবার থাকলে সহজে ওজন বাড়ানো যায়। অনেকেই তাদের ওজন বাড়াতে চান। তাই তারা মোটা হওয়ার হওয়ার খাদ্য তালিকা খুঁজে বেড়ান।

নিচে দ্রুত মোটা হওয়ার জন্য ১টি খাদ্য তালিকা তুলে ধরা হলো।

১. ক্যালোরি যুক্ত খাবার খান

চিকন হতে চাইলে যে রকম আমরা ক্যালোরি কমিয়ে নিই, তেমনি মোটা হতে চাইলে ক্যালোরি বাড়িয়ে নিতে হবে। আপনার প্রয়োজনের চেয়েও ৪০০/৫০০ বা ৭০০ ক্যালোরি গ্রহন করুন।

এতে করে আপনি খুব সহজেই ওজন বাড়াতে পারবেন। ওজন বাড়ানোর উপায় হিসেবে এটি যথেষ্ঠ কার্যকর।

২. প্রোটিন যুক্ত খাবার খান

মোটা হতে চাইলে প্রোটিনের বিকল্প নাই। ওজন বাড়াতে প্রোটিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেননা শুধু ক্যালোরি কোন উপকারে আসবে না। কেননা, প্রোটিন ছাড়া বেশি ক্যালোরি ফ্যাটে রূপান্তরিত হয়ে যায়।

ওজন বাড়াতে হলে পেশি বাড়াতে হবে। আর পেশি একমাত্র প্রোটিন যুক্ত খাবার দ্বারাই বাড়ে। প্রতি কিলোগ্রাম খাবারে ১.৫ থেকে ২.২ গ্রাম প্রোটিন আছে এমন খাবার খেতে হবে।

ড্রাই ফুটসে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও ফ্যাট। তাই ওজন বাড়াতে চাইলে নিয়মিত ড্রাই ফুটস খান।

৩. কার্বোহাইড্রেট গ্রহন করুন

কার্বোহাইড্রেট ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। ভাত-রুটি জাতীয় সকল খাবরই মূলত কার্বোহাইড্রেট। তাই ওজন বাড়াতে চাইলে প্রতিদিন বেশি বেশি কার্বোহাইড্রেট গ্রহন করুন।

ভাত ও রুটিতে সবচেয়ে বেশি কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। তাই এই দুইটি খাবার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন।

৪. ভাতের মাড় খান

আপনি হয়তো জানেন না যে মাড়ের সাথে ভাতের স্টার্চের অনেকটাই চলে যায়। ওজন বাড়াতে চাইলে ভাতের মাড়ের খুবই উপকারী। তাই ভাতের মার না ফেলে খেয়ে নিন।

৫. প্রচুর শাক-সবজি ও ফল খান

আপনি হয়তো বলছেন এগুলো ওজন কমানোর জন্য! আমি কি আপনাকে ভুল বলেছি? না,না।

এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ও সবজি খেলে ওজন বাড়বে।

৬. বারবার খাবেন না

অনেকেই লেখেন যে বারবার খেলে ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না, সম্পূর্ণ ভুল। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। কেননা পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়।

ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমা হয়। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়। ফলে ওজন কমে যায়।

৭. ঘুমাবার আগে দুধ ও মধু মিশ্রিত খান

ঘুমিয়ে পড়ার কারণে আমাদের অন্যান্য খাবার তেমন উপকার আসে না। তখন শুধু মাত্র প্রোটিন যুক্ত খাবার যেমন দুধ, মধু মিশ্রিত খাবার গুলোই কাজে আসে।ঘুমিয়ে পড়ছেন বলে এগুলো খরচ হয় না।

তাই এগুলো আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। তাই ঘুমানোর পুর্বে রোজ দুধ ও মধু মিশ্রিত খান।

৮. ছোলা ও তার পানি খান

মোটা হওয়ার জন্য ছোলার বিকল্প নাই। তাই প্রতিদিন রাত্রে ১০/১২ টি ছোলা ভিজেয়ে রাখুন। আর সকালে ওঠে ছোলা ও তার পানি খান।

এটি মোটা হওয়ার একটি প্রাকৃতিক উপায়। খুবই কম সময়ে এটি আপনার ওজন বাড়াতে দারুণভাবে সাহায্য করবে।

৯. বাদাম ও কিসমিস খান

রাত্রে শোয়ার আগে ১ গ্লাস জলে আধ কাপ কিসমিস ও বাদাম ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ফুলে উঠলে তা খান। ওজন বাড়ানোর জন্য এর কোন বিকল্প নাই

১০. মোটা হবার জন্য পাস্তা ও নুডুলস খান

আপনি পাস্তা কিংবা নুডলস খেতে ভালোবাসেন? আহলে আপনার জন্য সুখবর। কারণ কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ পাস্তা ও নুডলস উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার।

এটি খুব দ্রুত আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে। তাই মোটা হতে চাইলে প্রতিদিন পরিমাণমতো পাস্তা অথবা নুডলস খেতে পারেন। এটি হয়তো আপনার মনের মতো মোটা হওয়ার সহজ উপায় গুলোর মধ্যে একটি।

১১. মোটা হবার জন্য ডিম

মোটা হওয়ার সহজ উপায় গুলোর মধ্যে আরেকটি হলো দিম খাওয়া। ডিম ওজন বৃদ্ধি করার জন্য অত্যন্ত ভরসা যোগ্য একটি উপাদান। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট, প্রোটিন ও গুড ক্যালোরি। এগুলো আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও উপকারী।

ওজন বৃদ্ধি করতে চাইলে তাই নিয়মিত ডিম খাওয়া শুরু করুন। ৩-৪ টি ডিমের সাদা অংশ খান প্রতিদিন। কোনোভাবেই কাঁচা ডিম খাবেন না। সেদ্ধ করার ডিমের সাদা অংশই খাওয়া উচিত। ১-২ মাসের মধ্যেই কিন্তু ফল আপনি পেয়ে যাবেন।

১২. মোটা হওয়ার জন্য আলু খান

আলুতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট ও কমপ্লেক্স সুগার রয়েছে। তাই নিয়মিত আলু খেলে আপনার শরীর প্রাকৃতিকভাবেই মোটা হবে।

১৩. কলিজা

ওজন বাড়ানোর জন্য কলিজা খেতে পারেন। ভাতের সাথে অথবা রুটি, পরটার সাথে কলিজা খেতে পারেন।

১৪. শাকসবজি

খাদ্য হিসেবে শাকসবজির গুণাবলির কথা সকলেরই জানা। এটি আপনাকে সুস্বাস্থ্যের সাথে মোটা হতে সাহায্য করবে। তাই নিয়মিত শাকসবজি খান।

১৫. পরোটা

অনেকেই পরোটা খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু বাজারে অতিরিক্ত তেলযুক্ত পরোটা খান। তাই বাজারের পরোটা না খেয়ে ঘরে ভালো তেলে তৈরি পরোটা খান।

১৬. ভাত

পরিমিত ভাত খান। ওজন বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত ভাত খাওয়া ঠিক নয়। বেশি ভাত খেলে পেট ফাঁপা হয়ে যায়। এতে ভুড়ি বেড়ে যায়। তাই চাহিদা অনুযায়ী পরিমিত ভাত খান।

১৭. মাংস

মোটা হওয়ার জন্য মাংস আপনার অবশ্যই চাই। মাংস খেলে আপনি খুব দ্রুত মোটা হবেন। তাই বলে কিন্তু খুব বেশি পরিমাণে মাংস খাওয়া ঠিক হবেনা। তাহলে কিন্তু সুস্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।

আশা করি, ওজন বাড়ানোর বা মোটা হওয়ার খাদ্য তালিকাটি আপনাদের যথেষ্ট সাহায্য করবে। এবারে চলুন, পরবর্তী বিষয়গুলো দেখে নেই।

অন্যান্য নিয়ম পালন করুন

শুধু খাবার খেলেই হবেনা। আরো কিছু নিয়ম পালন করতে হবে। নিচে অন্যান্য পালনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।

১৮. নিয়মিত ঘুমান

নিয়মিত ৬/৮ ঘন্টা ঘুমালে আমাদের শরীর অন্যদিনের চেয়ে অনেকটা ভালো থাকে। তাই সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত ঘুম জরুরী। শরীর ঠিক থাকলেই তাড়াতাড়ি মোটা হতে পারবেন।

১৯. ভালো পরিবেশে থাকুন

খারাপ পরিবেশে থাকলে যেমন মানুষ অসুস্থ হয়ে যায় এবং স্বাস্থ্যহীনতায় ভোগে। তেমন ভালো পরিবেশে থাকলে শরীর সুস্থ থাকে। আর শরীর সুস্থতা আপনাকে মোটা ও ওজন বাড়াতে সহযোগিতা করবে।

২০. অতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে বিরত থাকুন

পর্ণো ও অশ্লীল চটি পড়ে অনেকেই অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করেন। আপনি যা খেয়েছেন তার থেকে বেশিই যদি ঝরে যায় তাহলে তো আপনি রোগা হবেনই।

আশাকরি উপরে উল্লেখিত নিয়ম মেনে চললে আপনি খুব সহজেই স্থায়ীভাবে মোটা হতে পারবেন।  কাজেই দয়া করে উপরে দেখানো পদ্ধতি গুলো অনুসরন করুন এবং সুস্থ সবল দেহের অধিকারী হন।

মোটা হওয়ার জন্য ব্যায়াম

অনেকেরই ধারণা যে শুধুমাত্র ব্যায়াম করার উদ্দেশ্য হচ্ছে মোটা স্বাস্থ্য চিকন করার জন্য।  আসলে এই ধারণাটি একেবারেই ভুল।  আপনি যদি চান তাহলে আপনি ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনার শারীরিক গঠন বা আপনার ওজন বৃদ্ধি করতে পারেন।  সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম করতে হবে। আপনি যদি মোটা হওয়ার জন্য কি ধরনের ব্যায়াম করবেন সে সম্পর্কে ধারনা থাকে তাহলে দয়া করে কোন জিমন্যাস্টিক সেন্টার এ কথা বলতে পারেন।  তাদের দেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করলে আশা করি আপনি অতি দ্রুত আপনার ওজন বাড়াতে পারবেন।  তাই আজকেই আপনার নিকটস্থ যেকোনো জিমনাস্টিক সেন্টারে যোগাযোগ করুন।  অথবা আপনি ইউটিউব থেকে থেকেও মোটা হওয়া এর বেসিক ধারণা পেতে পারেন।

মোটা হওয়ার ঔষধের নাম

আমরা একটি বিষয় লক্ষ্য করেছে যে অনেকেই ইন্টারনেটে মোটা হওয়ার ওষুধের নাম খুঁজে বেড়াচ্ছেন।  কিন্তু একটি কথা হচ্ছে আপনি কখনোই ওষুধের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে মোটা হতে পারবেন না।  ওষুধের মাধ্যমে অথবা আপনি সাময়িকভাবে মোটা হতে পারবেন কিন্তু সেটি ক্ষণস্থায়ী।  তাই আমরা আপনাকে ওষুধ খেয়ে মোটা হওয়ার পরামর্শ না দিয়ে থাকি।  তো যারা মোটা হওয়ার ওষুধের নাম খুঁজছেন তাদের জন্য আমরা এখন কিছু মোটা হওয়ার ওষুধের নাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করব।

মোটা হওয়ার হারবাল ঔষধ

? মোটা হওয়ার সবচাইতে আদর্শ ঔষধ হচ্ছে সিনকারা লিমিটেডের।

? সিনকারা সেবন করার ফলে একদিকে যেমন শরীরে অন্যদিকে শরীরের নানা পুষ্টি চাহিদা ও নানান উপাদান পূরণ হয়।

? এই ঔষধ টি ইউনানী পদ্ধতিতে তৈরি তাই এই ঔষধ সেবনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার তেমন কোনো ভয় নেই।

? সিনকারা পুষ্টি মূল্য খুবই সীমিত 750 মিলি সাইজের একটি ঔষধের দাম ২০০ টাকা।

মোটা হওয়ার ট্যাবলেট

? মোটা হওয়ার ট্যাবলেট হিসাবে আপনার জন্য আদর্শ হতে পারে গুড হেলথ।
? গুড হেলথ ঔষধটি ইন্ডিয়ান ঔষধ সুতরাং এটি সম্পর্কে আপনাকে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে।

? ভাল হেল্থ মোটা হওয়ার ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

? গুড হেলথ ইন্ডিয়ান ঔষধ তাই এর মূল্য সম্পর্কে সঠিক কোনো ধারণা দিতে পারেনি তবে এটিই আপনি যেকোন অনলাইন শপিং এ যেতে পারেন।

মোটা হওয়ার হোমিও ঔষধ

? হওয়ার হোমিও ঔষধ রয়েছে অনেকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঔষধ হলো আলফামালট।

? আলফামালট সেবন করার পূর্বে অবশ্যই একজন হোমিও ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নেবেন।

? প্রথম আলোর যেকোনো হোমিও দোকানে কিনতে পাবেন তবে অবশ্যই দেখে ঔষধ কিনুন।

মোটা হওয়ার ভিটামিন ই ক্যাপসুল

? ভিটামিন ক্যাপসুল সেবনের ফলে আমাদের শরীরে অতিরিক্ত শক্তি সঞ্চারিত হয় পরে মোটা হতে শুরু হয়।

? আপনি আপনার যেকোন অভিজ্ঞ ফার্মেসীতে গিয়ে মোটা হওয়ার ভিটামিন ঔষধ সম্পর্কে জেনে কিনতে পারেন।

মোটা হওয়ার ট্যাবলেট এর নাম

? মোটা হওয়ার ট্যাবলেট এর নাম সম্পর্কে আমরা উপরেই তথ্য দিয়েছি।

? আপনার মোটা হওয়ার সবচেয়ে কার্যকরী ট্যাবলেট হচ্ছে good health ?

মোটা হওয়ার ইসলামিক উপায়

আমাদের কাছে অনেকেই মোটা হওয়ার ইসলামিক উপায় জানতে চেয়েছেন। তাই আপনাদের জন্য আমরা এখন ইসলামিক উপায়ে আপনি কিভাবে স্থায়ীভাবে মোটা হতে পারে সে সম্পর্কে জানাও। দয়া করে নিচে দেখানো উত্তর গুলো পড়ে দেখুন আশা করি আপনি আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন।

শরীয়তের দৃষ্টিতে মোটা হওয়ার উপায় হলো “খেজুরের সাথে শসা খাওয়া”। এসম্পর্কে দুটি হাদীস দেখুন,
(১)‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন তিনি বলেন,আমার মায়ের ইচ্ছা ছিল আমাকে স্বাস্থ্যবতী বানিয়ে রাসূলুল্লাহ(সাঃ)-এর নিকট পাঠাবেন। এজন্য তিনি অনেক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, কিন্তু কোন ফল হয়নি। শেষে তিনি আমাকে পাকা খেজুরের সাথে শসা বা খিরা খাওয়াতে থাকলে আমি তাতে উত্তমরূপে স্বাস্থ্যের অধিকারী হই।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩৯০৩ হাদিসের মান: সহিহ)
.
(২)আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন আমার মা আমাকে রাসূলুল্লাহ(সাঃ)এর সংসারে পাঠাতে চাচ্ছিলেন বিধায় আমার দৈহিক
পরিপুষ্টির জন্য চিকিৎসা করাতেন। কিন্তু তা কোন উপকারে আসলো না। অবশেষে আমি তাজা খেজুরের সাথে শসা মিশিয়ে খেলাম এবং উত্তমরুপে দৈহিক পরিপুস্টি লাভ করলাম। (আবু দাউদ,হাদিস নংঃ৩৩২৪)
.
এতক্ষণে মাথায় প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তা হলো, ডাক্তররা তো স্বাস্থ্য কমাতে শসা খাওয়ার নির্দেশ দেয়!?
.
আমি বলি, এত প্রশ্নউত্তরের কি আছে?
যেখানে খেজুর আর শসা একসঙ্গে খাওয়া সুন্নাহ!!
আবদুল্লাহ ইবনু জাফর (রাঃ) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নবী (সাঃ) শসা খেজুরের সাথে একত্রে খেতেন।
(সহীহ্, ইবনু মা-জাহঃ৩৩২৫)
.
শরীর সুস্থ এবং স্বাভাবিক রাখতে,খেজুর আর শসা নরমাল ওয়েতেই খান এর জন্য তেমন বিশেষ কোনো নিয়ম পদ্ধতি জানা নাই।

শেষ কথা

খুব সহজে স্থায়ী ভাবে মোটা হওয়ার সহজ উপায় নিয়ে লিখিত আজকের সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।  আশা করি আজকের পোষ্টে দেখানো সহজ ভাবে মোটা হওয়ার পদ্ধতি গুলো আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে।  দয়া করে এই পোস্টটি আপনার যেকোনো বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন যাতে তারাও মোটা হতে পারে।  আমাদের পাশে থাকে আমাদের কে সাপোর্ট করুন যাতে ভবিষ্যতে আমরা আপনাদের জন্য আরও সুন্দর সুন্দর পোস্ট উপহার দিতে পারি। 

More:

মোটা হওয়ার সহজ প্রাকৃতিক উপায়

ঘরোয়া পদ্ধতিতে মোটা হওয়ার জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা

মেয়েদের ওজন কমানোর উপায় ও ডায়েট চার্ট

মেধাশক্তি বাড়ানোর উপায় জানুন, সেই সাথে খাবার ও ঔষধ এর না

Leave a Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: