Class Nine 2nd Week Assignment Answer 2022 [ BGS, English & Science]

Today’s post is for those of you who are looking for Class Nine 2nd week BGS, English & Science Assignment Answer 2022. If you wanted to get the best solution for your Class Nine 2nd week BGS, English & Science Assignment Answer follow this post at last. Because today I’m discussing here Class Nine 2nd week BGS, English & Science Assignment Answer. So follow my post and write your Class Nine 2nd week BGS, English & Science Assignment Answer so fast.

Class Nine 2nd Week BGS, English & Science Assignment Answer 2022

The Education Board published their Class Nine 2nd Week Assignment on 13 February, 2022. Now is time for you to write your Class Nine 2nd Week Assignment Answer. If you don’t collect your Assignment no problem, under this post you are watching here your Class Nine 2nd Week BGS, English & Science Assignment. Collect your Class Nine 2nd Week BGS, English & Science Assignment from here. And I’m trying to give you the best solution for your Class Nine 2nd Week Assignment Answer. So, stay with us and follow my post With attentively.

Class Nine 2nd Week BGS Assignment 2022

Here see you your Class Nine 2nd Week BGS Assignment. Now collect your Class Nine 2nd Week BGS Assignment from here. Then you get the best solution for Class Nine 2nd Week  BGS Assignment under from post. So, watch my post and write your Class Nine 2nd Week BGS Assignment Anwer so fast. And obey some rules and manners for your Class Nine 2nd Week BGS Assignment Answer.

How to Write BGS Assignment Answer

Here I’m sharing with you some rules for writing your Class Nine 2nd week BGS, English & Science Assignment Answer. When you write your Assignment you obey some Indicative for your Assignment Answer. The Indicative you watch In your Assignment question paper. You always try to write the better answers for your Assignment.

Class Nine 2nd Week BGS Assignment Answer

Now is time for you to write your Class Nine2nd Week BGS Assignment Answer. Watch this post and write your Assignment very quickly. But you don,t copy of all my Assignment Answers. Collect your Class Nine2nd Week BGS Assignment Answer from under and write your post obey the Indicative from your Assignment question paper.

Your BGS Assignment title is History of the rise of Bangladesh. Now write an Assignment for this title.

অ্যাসাইনমেন্ট এর শিরোনাম: বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস

ক নং প্রশ্নের উত্তর

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমি ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা হলোঃ

বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত। । মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলনের মাধ্যমে তদানীন্তন পাকিস্তান অধিরাজ্যের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবির বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে।

আজকের এই বাংলাদেশ অনেক আগে দুই টি দেশে বিভক্ত ছিলো। একটি ছিলো পূর্ব পাকিস্তান এবং অন্যটি ছিলো পশ্চিম পাকিস্তান। আমাদের এই বাংলাদেশ ছিলো পূর্ব পাকিস্তান। আমাদের মাতৃভাষা  ছিল বাংলা এবং পশ্চিম পাকিস্তানিদের  ছিল উর্দু। তারা আমাদের এই মাতৃভাষা কে কেরে নিতে চেয়েছিলো। এজন্য আমাদের দেশের ছাত্র -জনতা, কৃষক, শ্রমিক সর্বশেষে সবাই ভাষার জন্য আন্দোলন শুরু করে। সবাই রাজপথে মিছিল করে। এই মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে অনেকে শহিদ হয়। তাদের মধ্যে সালাম, রফিক, বরকত, শফিক আরও নাম না জানা অনেকে।

খ নং প্রশ্নের উত্তরঃ 

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের কারণ ব্যাখ্যা করাহলোঃ

১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম লীগকে ক্ষমতাচূত করার লক্ষে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেছিলো। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হওয়ার পর সরকারের অগন্ত্রান্তিক আচরণ, দমন নীতী এবং পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্য বৈষম্য বাংলা ভাষার অবমাননা ইত্যাদির কারণে যুক্তফ্রন্ট গঠন করাহয়। মুসলিম লীগের নেতারা পূর্ববাংলা টাকা পশ্চিম পাকিস্তানের পাচার করত মুসলিম লীগ পূর্ববাংলার টাকা দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তান উন্নয়ন করত কিন্তু তা পূর্ববাংলার কোন উন্নয়ন করেনি। আবার মুসলিম লীগের নেতারা জনবান্ধব ছিলেন না। তারা নিজের ইচ্ছায় দেশ চালাতেন। আবার তারা বাংলা হরফ কে নিশ্চিত করতে আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রচলন করতে চেয়েছিল কিন্তু বাঙালির আন্দোলনের মুখে তা করতে পারেনি।

এ অবস্থায় ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ কে সামনে রেখে ক্ষমতাশীল অগণতান্ত্রিক ও দুর্নীতি পরায়ন মুসলিম লীগকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কৃষক, শ্রমিক লীগ নেজামী ইসলাম এবং গণতান্ত্রিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। অর্থাৎ মুসলিম লীগকে নির্বাচনে হারানোর জন্য যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় উল্লেখ্য যে সেবা দেশ নির্বাচনে জয়লাভ করলেও সরকার গঠন করে

গ নং প্রশ্নের উত্তরঃ 

ঐতিহাসিক ছয় দফার গুরুত্ব নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

ছয় দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা অন ১৯৬৬ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ছয় দফা দাবি পেশ করে। ৪ এ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের লাহোর প্রবেশ করে। তার পরদিন অর্থাৎ ৫ই ফেব্রুয়ারি ছয় দফা দাবি পেশ করে ফেব্রুয়ারি পত্রিকা শেখ মুজিবকে বিভিন্নতাবাদী হেসেবে চিহ্নিত করা হয়। ফলে নিজে ৬ই সম্মেলন বর্জন করেন। ১৯৬৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয় দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন কর্মসূচি গৃহীত হয়। শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাজউদ্দিন আহমেদের প্রেমিকের সঙ্গে ছয় দফা কর্মসূচি একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা। যার নাম ছিল ছয় দফা আমাদের বাঁচার দাবি ২৩ই শে ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন। এরপর ১৮ই মার্চ আওয়ামীলীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আমাদের বাঁচার দাবি সরকারি কর্মসূচি শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশিত হয়। ২৩ই মার্চআনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উপস্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিলিয়ে ছয়দফা দাবির  মূল উদ্দেশ্য পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র সরদার কর্মসূচি বৃদ্ধিতে ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্য স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে। ছয় দফা কর্মসূচি ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব পরবর্তীকালে এই ছয় দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার হয়।প্রতি বছর বাংলাদেশের ছয় দফা দিবস পালন করা হয়চ ১৯৬৬ সালের  ২৭ই  জুন ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী দীর্ঘ আন্দোলন আন্দোলনের সূচনা হয়।৬দফা আন্দোলনের প্রথম শহীদ হয়েছিলো মনু মিয়া ছয় দফা মূলত স্বাধীনতার এক দফা ছিলো। এই ৬দ ফার মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।

ঘ নং প্রশ্নের উত্তরঃ 

৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব নিচে ব্যাখ্যা করা  হলোঃ

পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর শাসনের প্রশ্ন হাত থেকে চূড়ান্ত মুক্তির লক্ষ্যে হাজার ১৯৭১সালের ২৬শে মার্চ শুরু হয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। এবং এই মুক্তিযুদ্ধ দীর্ঘ নয় মাস ধরে চলতে থাকবে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ এর মধ্য দিয়ে আমাদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। আমরা একটি নতুন স্বাধীন-সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশ লাভ করি। আমারা পাই এক নতুন লাল সবুজের পতাকা। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশকে  পেয়েছি। এর ফলে পৃথিবীর বুকে আজ আমরা স্বাধীন দেশের নারী জাতি-ধর্ম-বর্ণ নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। তাই মুক্তিযুদ্ধ সবার। এই স্বাধীন দেশের তাই সবার সমান অধিকার রয়েছে এবং এই দেশকে সুন্দর করে করার দায়িত্ব আমাদের সবার। মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ প্রাণের আন্তরিক এবং মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে  মাধ্যমে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে সে কথা মনে রাখা আমাদের কর্তব্য এবং দায়িত্ব।

মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সাথেই যারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য সহযোগিতা করেছেন এবং সাধারণ মানুষের অবদানের কথা ও আমাদের স্মরণ রাখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিশ্বসভায় পেয়েছি মর্যাদার আসন সুযোগ পেয়েছি নিজের দেশ গড়া এবং নিজ মাতৃভাষাকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠা করার। এই ৭ই মার্চের ভাষণ ই ছিলো মূলত স্বাধীনতা যুদ্ধের ডাক। এই ভাষণের মধ্যেই লাখো লাখো বাঙালি মুক্তি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার অনুপেরনা পেয়েছে।

Class Nine 2nd week English Assignment 2022

How to Write English Assignment Answer

If you write your Class Nine 2nd Week English Assignment answer you need to obey some rules and manners for your Assignment answer as like you see Indicative of your Assignment question paper. When writing your Class Nine 2nd Week English Assignment Answer then you obey the Indicative from your Assignment question paper.

Class Eight 2nd Week  English Assignment Answer 2022

Now you get your Class Nine 2nd Week English. So fast collect your Class Nine 2nd Week English Assignment Answer from under and write your post obey the Indicative from your Assignment question paper.

The title of your Class Nine 2nd Week English Assignment Influence of Bangobondu’s leadership qualities in personal life 

Influence of Bangobondu’s leadership qualities in personal life

Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman was born on 18 March 1920 in Tungipara village in Gopalganj subdivision (now district) of Faridpur district to an aristocratic Muslim family. Sheikh Mujib is the third of four daughters and two sons of Sheikh Lutfar Rahman and Mosammat Sahara Khatun. My parents used to call me Khoka. Khoka spent his childhood in Tungi-para.

Gimadanga started primary school at the age of six. At the age of nine, he was admitted to the third class of Gopalganj Public School. He later enrolled in a local missionary school.  In 1940 Sheikh Mujib joined the All India Muslim Students Federation and was elected councilor of the Bengal Muslim Students Federation for one year. He was appointed secretary of the Gopalganj Muslim Defense Committee. In 1942 Passed SSC. He enrolled in the intermediate class in the humanities department at Calcutta Islamia College and was accommodated in the Baker Hostel. Bangabandhu became actively involved in the Pakistan movement in the same year. In 1947 Bangabandhu was elected General Secretary (GS) of Islamia College Student Parliament. In 1957 Sheikh Mujib resigned from the cabinet on May 30 as per the party’s decision to reorganize the organization. On August 8, he paid official visits to China and the Soviet Union.

In a radio-TV address to the nation on October 26, he appealed to the people to win the Awami League candidates in the implementation of 6 points. When one million people were killed in the coastal area of ​​Gorky on 12 November, Bangabandhu canceled his election campaign and moved to the affected areas, strongly condemning and protesting the indifference of the Pakistani rulers towards humanity. He called on the world to come to the rescue of Gorky-afflicted people. The Awami League won an absolute majority in the general elections on 7 December. The Awami League won 18 of the 169 seats in the National Assembly and 305 of the 310 seats in the Provincial Council in then East Pakistan.

From March 7 to March 25, Bangabandhu ruled Bangladesh as an independent country. The Mujib-Yahya meeting on the transfer of power began on March 17 in Dhaka. Mr. Bhutto also came to Dhaka for talks. Yahya-Mujib-Bhutto talks were held till March 24. Yahya left Dhaka in the evening after the March 25 talks failed. On the night of March 25, the Pakistani army attacked the innocent unarmed Bengalis. The attack took place at Dhaka University, Peelkhana Rifle Headquarters and Rajarbagh Police Headquarters. Bangabandhu declared the independence of Bangladesh on March 25 at 12:20 pm:

On 10 April a revolutionary government was formed with Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman as President. The swearing in of the Government of Bangladesh was held on 18 April at Amrakan (Mujibnagar) in Baidyanathtala, Meherpur. Bangabandhu was elected President, Syed Nazrul Islam Acting President and Tajuddin Ahmed Prime Minister. After the liberation war under the leadership of the expatriate Bangladesh government, victory was achieved in the liberation war through the surrender of Pakistani forces on 16 December at the historic racecourse ground. Bangladesh gained independence.

Class Nine 2nd week Science Assignment 2022

Class Eight 2nd Week  Science Assignment Answer 2022

শিরনামঃ একজন পূর্ণ  বয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক সুষম খাদ্য তালিকা প্রস্তুত করণ

ক নং প্রশ্নের এর উত্তরঃ

খাদ্য উপাদানের ছক আকারে তালিকা  তৈরি করা হলোঃ

পুষ্টি উপাদানউৎস সমূহকাজ
শর্করাচাল, গম, ভুট্টা, বার্লি, আলু ,কচুর মুখি ইত্যাদিশর্করা প্রধানত শক্তি উৎপাদনকারী
আমিষ বা প্রোটিনসব রকম ডাল, শিমের বিচি,     সয়াবিন, মাছ,  মাংস, ডিম, দুধ, ইত্যাদিদেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধি সাধন করে
স্নেহসরিষা, তিল,  তিসি, সয়াবিন,  সূর্যমুখী , চর্বি, মাসের ইত্যাদিশরীরে শক্তি প্রদান করে তবে এর শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা শর্করার থেকে প্রায় দ্বিগুণ বেশি
খনিজ লবণদুধ , দুধের তৈরি খাবার,পুষ্টির  কাজে ও  দেহ সংরক্ষণ ভূমিকা রাখে
ভিটামিনচাল, কলিজা,  ডিম,  বাদাম,  মাছ, মাংস, শাক সবজি,  টক জাতীয়দেহের গঠন ও বিভিন্ন কাজের সমন্বয় সাধন করে
পানিবিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানি

 

খ নং প্রশ্নের এর উত্তরঃ

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক সুষম খাদ্যর বিভাজন পাই চার্টে উপথাপন করা হলোঃ

গ নং প্রশ্নের উত্তরঃ

ভিটামিন গুলির নাম, অভাবজনিত রোগের নাম ও প্রতিকারের উপায় নিচে বর্ণনা করা হলোঃ

ভিটামিন কে জৈব অণু বলা হয়। ভিতামিন দুই ধরনের হয়ে থাকেঃ পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন এবং চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। ভিটামিনের অভাবে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়। অবসন্নতা, ছোট শ্বাস, মাথা ঘোরা, অনিয়ত্রিত হার্টবিট ইত্যাদি রোগ ভিটামিনের অভাবে হয়ে থাকে।

১। ভিটামিন ডি অভাবের লক্ষণঃ গাল, হাত এবং প্রভৃতি জায়গায় লাল ও সাদা ব্রণ ধারণ করে। এটি ফাটি এসিড এবং ভিটামিন ডি এর অভাব নির্দেশ করে।

যেভাবে দূর করবেনঃ সূর্যের আলো ভিটামিন ডি এর প্রকৃতি উৎসও। এছ্রা মাছ, দিম,দুধ, মাখন ও সবুজ শাক সবজি এই ভিটামিন অভাবের লক্ষণ দূর হয়ে থাকে।

২। ভিটামিন ৬ এবং ভিটামিন ১২ অভাবের লক্ষণঃ হাত, পা এবং দেহের অন্যান্য জায়গায় অসাড়তা। এই ধরনের সংকেত ভিটামিন ডি এর অভাব নির্দেশ করে থাকে। যমন বি ৬ এবং বি ১২। এটি পেরিফেরাল স্নায়ুর সমস্যা নির্দেশ করে। এ রোগ দূর করার জন্য ভিটামিন বি এর পরিমাণ বেশি রাখতে হবে।

৩। জিংক, আয়রন এবং ভিটামিন বিঃ মুখের কোনে খাঁজ। জিঙ্ক, আয়রনের অভাবে এই রোগ হয়ে থাকে। এই রোগ দূর করার জন্য প্রচুর পরিমাণ শাক সবজি , কচুর শাক এবং মাছ-মাংস খেতে হবে।

৪। পটাশিয়ামঃ পেসি খিচুনির কারণে টনটন করে ব্যথা হয়। বিশেষ করে পায়ের ভিবিন্ন অংশে। এই রোগ টি ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং পটাশিয়াম এর অভাবে হয়ে থাকে। পটাশিয়াম সম্রিদ খাবার এবং কলা, নারিকেল, বাদাম এবং পানি পরিমাণমতো গ্রহণ করলে এই রোগের প্রতিকার করা যাবে।

৫। বি ৭ঃ  এ রোগের কারণে মুখের লাল দাগ এবং চুল বেশি পরে। যখন আপনার শরির চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন বেশি খায় তখন বেশি ভিটামিন বি সংরক্ষিত হয়না। এই মাশরুম, ফুলকপি, সয়াবিন, বাদাম ইত্যাদি গ্রহণ করলে কমে যায়।

ঘ নং প্রশ্নের উত্তরঃ খাদ্য তালিকায় প্রাপ্তইয়খনিজ পদার্থের আম ও কাজ নিচে বর্ণনা করাহলোঃ

১। লৌহঃ লৌহ রক্তের একটি উপাদান। প্রতি ১০০ মিলি. রক্তে লৌহের পরিমাণ প্রায় ৫০ মি গ্রাম। লৌহের প্রধান কাজ হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করা। হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে দেহে রক্ত শূন্যতা রোগ হয়। রক্ত শূন্যতা রোগের লক্ষণ হাত পা ফোলা, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা ইত্যাদি। নিম পাতা, কাচা কলা, ভুট্টা, বাদাম এবং মাছ, মাংসও, ডিম ইত্যাদি অংশ হোত্র পাওয়া যায়।

২। ক্যালসিয়ামঃ এটি প্রানি দেহের হার্রানিএক্টি প্রধান উপাদান। মানুষের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম যা খনিজ পদার্থ থেকে আসে। অস্থি এবং ম্যাগনেসিয়াম যুক্ত হয়ে শরিরে ৯০ % যুক্ত থাকে। ক্যালসিয়ামের উপাদান হচ্ছে ডাল, তিল, সয়াবিন, গাজর, লাল শাক, বাধা কপি ইত্যাদি। প্রাণীজ উপাদান হচ্ছে দুধ ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকিমাছ ইত্যাদি।

৩। ফসফরাসঃ  দেহের পরিমাণের দিক থেকে খনিজ লবণগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরি ফসফরাসের স্থান। ক্যালসিয়ামের মতো হাড় এবং দাঁত গঠন করা ফসফরাসের প্রধান কাজ। খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম থাকলে ফসফরাসের অভাব হয়না।

The last woard

Thank’s for watching my post at last. You don,t copy of all my post when write your Class Nine 2nd Week BGS, English % Science. This post If helpfull for you share with your friends. If you wanted to visit my Website. For get more weeks Assiengment for your Class Nine stay with us. Thanks.

Leave a Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: